পুনর্মিলনের ৩৫ বছরে কী পেল জার্মানি?

সরাফ আহমেদ
নতুন পয়গাম, বার্লিন, ৩ অক্টোবর:
শুক্রবার জার্মানি তার পুনর্মিলনের ৩৫তম বার্ষিকী উদ্যাপন করল। এই সাড়ে তিন দশকে ঐক্যবদ্ধ জার্মানি কী পেল বা লাভ করল, আর কী খোয়াল, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, দুই জার্মানির ঐক্য বা পুনর্মিলন দিবস হিসেবে ৩ অক্টোবর শুধু আবেগ দিয়ে উদ্যাপন করলেই হবে না; বরং বাস্তবতার নিরিখে সবকিছুর বিচার-বিশ্লেষণ করতে হবে।
এই বিশেষ দিনটি নিয়ে জার্মানির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলাপ-আলোচনা উদ্যাপনের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে জার্মানির সাধারণ নাগরিকদের কাছে দিনটি এখন গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে বা ফিকে হয়ে গিয়েছে। ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির ঐতিহাসিক পুনর্মিলনের বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। তার ৩৫তম বার্ষিকীতে জার্মানি সরকার বলেছে, ‘কখনো অতীতকে ভুলে যাবেন না। তাহলে ভবিষ্যৎ পুনর্নির্মাণ করতে পারবেন না।’
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বার্লিন প্রাচীর ভেঙে ভৌগোলিকভাবে রাজনৈতিক ঐক্য সাধিত হলেও আসল ঐক্য অর্জন করতে পারিনি। সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। এর জন্য সচেতনতা ও মূল্যবোধ তৈরি করতে আরও উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন। এ কারণে জার্মান রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারকে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দেশকে আরো শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ করার কথা বলছেন অনেকে।
জার্মানির শীর্ষ রাজনৈতিক পদের ক্ষেত্রে পূর্ব ও পশ্চিমের মানুষের মধ্যে দ্বিমত আছে। পূর্ব জার্মানদের প্রায় ৭৫ শতাংশ মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদগুলো উভয় অঞ্চলের লোকদের দিয়ে সমানভাবে পূরণ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে পশ্চিমের ৩০ শতাংশ মনে করেন, বিষয়টি অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে জার্মান সরকারে একজন চ্যান্সেলর বা রাষ্ট্রপ্রধান এবং ১৭ জন মন্ত্রীর মধ্যে মাত্র দু’জনের জন্ম পূর্ব জার্মানির ভূখণ্ডে। আবার সরকারের পরিচালন ব্যবস্থা নিয়েও রয়েছে ভিন্ন মত।





















































































































