ওয়েটল্যান্ডে চলল বুলডোজার, ভাঙড়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

দৈনিক জনকণ্ঠ, সাহিনুর ইসলাম, ভাঙড়: পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে আদালতের নির্দেশে জলাভূমির উপর নির্মিত বাড়ি ভেঙে দিল প্রশাসন। ভাঙড়ের ধর্মতলা পাঁচুড়িয়া এলাকার ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে জলাভূমির উপর গড়ে ওঠা অন্যান্য নির্মাণের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ কাঠা বসতজমি নিয়ে দুই ভাই প্রভাষ মণ্ডল ও সুভাষ মণ্ডলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল। প্রভাষ মণ্ডলের অভিযোগ, তাঁকে বঞ্চিত করে ছোট ভাই ওই জমিতে বাড়ি তৈরি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রায় দু’বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর আদালতের নির্দেশে প্রশাসন বাড়িটি ভেঙে দেয় বলে দাবি তাঁর। যদিও সুভাষ মণ্ডলের পরিবারের পাল্টা দাবি, প্রভাষের জায়গা ছেড়েই ওই বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে ঘিরে ভাঙড়ের বেঁওতা-২ ও বামনঘাটা এলাকার জলাভূমিতে গড়ে ওঠা একাধিক নির্মাণ নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে জলাভূমি ভরাট করে নির্মাণের অভিযোগ উঠলেও সব ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে একটি বাড়ি ভাঙার পর প্রশ্ন উঠছে, জলাভূমির উপর নির্মিত অন্যান্য বাড়ি ও বিল্ডিংগুলির ক্ষেত্রেও কি একই পদক্ষেপ করা হবে?
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, অবৈধ নির্মাণ হলে তা ভাঙা হোক। পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, জলাভূমি রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বাস্তুভিটা ও বৈধ জমির বিষয়টিও মানবিকভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে ধর্মতলা পাঁচুড়িয়ার একটি বাড়ি ভাঙার ঘটনায় এখন নজর ভাঙড়ের জলাভূমির উপর গড়ে ওঠা অন্যান্য নির্মাণের দিকে।























































































































