বদলির ক্ষেত্রে কমিশনের নির্দেশ মানল না নবান্ন পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে পাল্টা চিঠি রাজ্যের

নতুন পয়গাম, কলকাতা: তিন আইএএস অফিসারের বদলি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করল না নবান্ন। কমিশনের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ নভেম্বর এসআইআর প্রক্রিয়ায় পর্যবেক্ষক হিসেবে তিন আইএএস আধিকারিককে নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ ওঠে, কমিশনের অনুমতি না নিয়েই ওই আধিকারিকদের নতুন দায়িত্বে বদলি করেছে রাজ্য সরকার। এর পরই ওই বদলি বাতিলের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
বদলি হওয়া আধিকারিকরা হলেন আইএএস অশ্বিনীকুমার যাদব, যাঁকে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। রণধীর কুমার, যাঁকে উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্মিতা পাণ্ডে, যাঁকে পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের যুক্তি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই তিন আধিকারিককে এমন জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁরা ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন। সেই কারণেই ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার হিসেবে কাজ করা আইএএস কর্তাদের বদলির নির্দেশিকা রাজ্য সরকারের তরফে জারি করা হয়েছিল।
তবে এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়নি নির্বাচন কমিশন। এই নির্দেশ বাতিলের পাশাপাশি কেন ওই তিন আধিকারিককে বদলি করা হল, তা জানতে চেয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। নবান্নের তরফে সেই চিঠির উত্তরে জানানো হয়েছে, যেসব জায়গায় ওই আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে, সেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ চলছে। সেই কাজের প্রয়োজনেই বদলি করা হয়েছে। তাই কমিশনের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এখন রাজ্যের এই পাল্টা চিঠির পর নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর প্রশাসনিক মহলের। বদলি বিতর্কের নিষ্পত্তি কোন পথে গড়ায়, তা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।


















































































































